মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে ও মিল্ক শেক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে এই প্রশ্নটি অনেকেই করে থাকেন। ওজন বৃদ্ধির আশায় অনেকেই এই শেক টি নিয়মিত খেয়ে থাকেন। দুধ ও চিনির এর মিশ্রণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কেমন তা অনেকেই জানেন না।
মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে
ওয়েট গেইনে মিল্ক শেকের উপকারিতা যেমন রয়েছে তেমনি এর কিছু অপকারিতা ও খাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। যেহেতু প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার তাই খাওয়ার নিয়মের ভিন্নতা দেখা যায়।

পেজ সূচি পত্রঃ মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে প্রশ্নটি খুব বেশি পাওয়া যায় আজকাল। হ্যাঁ মিল্ক শেক ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। যারা ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন তাদের জন্য মিল্ক শেক খুবই উপকারী। তাই মোটা থেকে চিকন হওয়ার জন্য মিল্ক শেক খেলে আপনি উপকার পাবেন। তবে অতিরিক্ত চিনি থাকার কারণে ডায়াবেটিকস বা হৃদ রোগের সমস্যা হতে পারে।

মিল্ক শেকে অনেক ধরনের পুষ্টিগুণ সম্পন্ন উপাদান রয়েছে। এখানে প্রচুর পরিমাণে উচ্চ ক্যালোরি ও পুষ্টি, প্রোটিন উপাদান পাওয়া যায়। যা আপনার ওজন বৃদ্ধিতে খুবই সাহায্য করে। অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে এই মিল্ক শেক। পুষ্টি উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি৬, বিভিন্ন রকম ক্যালরিযুক্ত উপাদান তাছাড়া চিনি এগুলো আপনার ওজন বাড়াবে।

আরও পড়ুনঃ সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায় ও প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা

মিল্ক শেক সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ফল বা বাদাম দিয়ে তৈরি হয়। এ কারণে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও যারা জিমে যাচ্ছেন এবং পেশি বাড়াতে চান তাদের জন্য এই প্রোটিন মিল্ক খুবই উপকারী। মোটামুটি ৬০ টি উপাদান দিয়ে প্রোটিন মিল্ক শেক তৈরি করা যায়।

যাদের শরীর খুবই দুর্বল তারা কিন্তু মিল্ক শেক খেলে শরীর ভালো থাকে ও শক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সাথে দুধ বা আইসক্রিম যুক্ত থাকার কারণে খুবই সুস্বাদ ও ফেনা জাতীয় পদার্থ তৈরি হয়। তাই একজন মানুষ যদি প্রতিদিন মাসের মধ্যে খায় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি দুর্বল শরীর সুস্থ সবল হয়ে যাবে। এছাড়া রুচি বাড়াতে এবং যৌনশক্তির বাড়াতে এই মিল্ক শেক খুবই উপকারী।

মিল্ক শেকে ক্যালোরির পরিমাণ বিভিন্ন রকম হতে পারে। সাধারণত একটি মিল্ক শেকে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরি থাকে। আবার মিল্ক শেকে আপনি প্রয়োজনে কম বেশি পরিমাণ চিনি দিতে পারেন। চিনির পরিমাণ কমালেও মিল্ক শেক অনেক সুস্বাদু। তবুও এখানে চিনির পরিমাণ খুব বেশি, ৪০ গ্রাম থাকে। আর এ অতিরিক্ত চিনি ওজন বাড়াতে খুবই সাহায্য করে।

তবে অবশ্যই অতিরিক্ত পরিমাণে মিল্ক শেক খাওয়া ঠিক না। কারণ অতিরিক্ত খেয়ে ফেললে এর চর্বি উপাদান শরীরের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই অবশ্যই হিসেব করে পরিমাণ মতো নিয়মিত খাবেন। তাহলে শরীর সুস্থ থাকবে। এভাবে আপনি খুব ভালো ফলাফল পাবেন।

মিল্ক শেক এর পুষ্টিগুণ

মিল্ক শেক প্রতিদিনের খাবার হিসেবে নিয়মিত খাওয়া সম্ভব। আর এই মিল্ক শেক খেলে নিয়মিত পুষ্টি পাওয়া যায়। পুষ্টি গুণের জন্য খুব তাড়াতাড়ি শরীর সবল হয় এবং সব ধরনের কাজ করা সম্ভব। ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রক্ষা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

নিয়ম অনুসারে মিল্কশেক খাওয়া জরুরী এতে সব ধরনের পুষ্টি শরীরে খুব ভালোভাবে কার্যকর হয়। অনেকেই আছেন যারা মিল্ক শেক যে কত রকম পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সে বিষয়ে সঠিকভাবে জানেন না।তাই সব ধরনের পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই শেক খেলে আপনার শরীরের অনেক ধরনের উপকার পাবেন। এজন্য আমাদের জানা উচিত একটি মিল্ক শেক এ কত ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

চলুন নিচে দেখে আসি প্রতি ১০০ গ্রাম মিল্ক শেকে কি পরিমাণে পুষ্টি পাওয়া সম্ভব।

  • কোলেস্টেরল ১২ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন ডি ১২%
  • শর্করা ১৮ গ্রাম
  • ফ্যাট ১৯ গ্রাম
  • প্রোটিন ৩.৯ গ্রাম
  • পটাশিয়াম ১৮৩ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম ৩%
  • ক্যালোরি ১১১.৯ গ্রাম
  • ক্যালসিয়াম ১৪%
  • সুগার ১৮ গ্রাম
  • সোডিয়াম ৯৫ মিলিগ্রাম

উপরে আমরা দেখতে পাচ্ছি কত ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে মাত্র ১০০ গ্রাম মিল্ক শেক এর মধ্যে। এইসব পুষ্টি উপাদান আপনি যদি প্রতিদিন খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার অনেক ধরনের শারীরিক ঘাটতি পূরণ হবে। আপনি কর্ম চঞ্চল ও সতেজ থাকবেন। কিছু পুষ্টি উপাদান বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো।

প্রোটিনঃ

মিল্ক শেক এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। কারণ এই মিল্ক শেক দুধ দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। তাছাড়া দুধ পান করলে শরীর ভালো থাকেন এবং হাড় মজবুত হয়। এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পরপরই আপনি শারীরিক শক্তি ফিরে পাবেন।

ফ্যাটঃ

অনেকেই মনে করেন ফ্যাট আমাদের শরীরের জন্য খুবই খারাপ। আমাদের বুঝতে হবে যে ফ্যাট বা চর্বি শরীরের জন্য সবসময় খারাপ হয় না। বিশেষ করে দুধে যে চর্বি পাওয়া যায় তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এই চর্বি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে।

কার্বোহাইড্রেটঃ

মিল্ক শেক এর আরো একটি গঠনমূলক উপাদান হচ্ছে কার্বোহাইড্রেট। এ উপাদানটি চিনি থেকে পাওয়া যায়। পরিমাণ মতো চিনি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। চিনিতে থাকা উপাদান মস্তিষ্কের জন্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। এই মিল্ক শেকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে কারণ বিভিন্ন ধরনের ফল এখানে ব্যবহার করা হয়।

মিল্ক শেক এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মিল্ক শেক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তেমন নাই বললেই চলে। তবে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দেখা গিয়েছে যে মিল্ক শেক যেহেতু হাই প্রোটিন এবং চর্বি জাতীয় খাবার তাই নিয়মিত ও অধিক পরিমাণে খেলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাই দেখা দেয়। ওজন বৃদ্ধিতে এজন্যই ভুমিকা রাখছে।

একটি ইউনিভার্সিটি মেডিকেল গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শুধুমাত্র উচ্চ ফ্যাট যুক্ত মিল্ক শেক শরীরের রক্তনালিকে বাধার সম্মুখীন করে। গবেষণার জন্য দশ জন পুরুষ মানুষকে নেওয়া হয় এবং তাদেরকে ৮০ গ্রাম চর্বিযুক্ত ও ১০০০ ক্যালোরি যুক্ত ফুল ক্রিম গরুর দুধ ও আইসক্রিম দিয়ে মিল্ক শেক তৈরি করে দেওয়া হয়। এবং তাদেরকে প্রতিদিন খেতে বলা হয়।

কিন্তু প্রতিদিন না প্রথমে একবার খেতে গেলেই গবেষকরা পরবর্তীতে তাদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল করেন। তারা দেখতে পান যে রক্তনালীতে রক্ত কণিকা গুলোর প্রকৃতি এবং আকৃতি পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। রক্তকণিকাগুলো যে দ্রুততার সাথে আগে প্রবাহিত হতো সেরকম ভাবে আর যাচ্ছে না। তবে এই অবস্থা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিবর্তন হয়ে যায় এবং আগের মত অবস্থান করে।

তবে নিয়মিত খেলে এই সমস্যার পরিবর্তন হবে না বরং ঝুঁকি আরো বেড়ে যাবে। তাই অবশ্যই বুঝে শুনে চর্বির পরিমাণ কমিয়ে মিল্ক শেক খাওয়া জরুরী। এতে আপনি নিয়মিত মিল্ক শেক উপভোগ করতে পারবেন এবং আপনার শরীরের অন্য ধরনের রোগ গুলোর হাত থেকে রক্ষা পাবেন। 

এছাড়াও মিল্ক শেক খাওয়ার জন্য আরো যে সকল লক্ষণ বা সমস্যা গুলো দেখা দেয় তা নিচে দেওয়া হলঃ

  • পেটে গ্যাস হওয়া
  • পেট ফোলা ভাব
  • ডায়রিয়া
  • বমি বমি ভাব
  • এলার্জি সমস্যা
  • ফুসকুড়ি ওঠা
  • শ্বাসকষ্ট

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম

মিল্ক শেক এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকা সত্তেও অনেকে মিল্ক শেক খাওয়ার অভ্যাস থেকে বের হতে পারেন না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কিভাবে এই মিল্ক শেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই বানানো সম্ভব। জানা দরকার কিভাবে মিল্ক শেক খেলে আপনার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না। এবং আপনি যদি ওজন কমাতে চান এক্ষেত্রেও আপনার এই এইভাবে আপনি বানিয়ে খেতে পারেন।

মিল্ক শেক এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

আপনি স্কিম দুধ দিয়েও মিল্ক শেক টি বানাতে পারেন। এখানে মাত্র দুই পার্সেন্ট চর্বি থাকে। এছাড়াও মিল্ক শেক থেকে যদি আপনি চকলেট সিরাপ এবং কুকিজ বাদ দেন তাহলেও চর্বি কমানো সম্ভব। চিনি কমিয়ে তাজা ফল ব্যবহার করুন। এর ফলেও আপনি অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং সুস্বাদু মিল্কশেক বানাতে পারবেন।

মিল্ক শেক তৈরির নিয়ম

মিল্ক শেক অনেক উপদেয় এবং সুস্বাদু একটি খাবার। প্রচুর পুষ্টি মান সম্পন্ন একটি পানীয়। এটি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। ওজন বাড়ানো বা কমানোর জন্য মিল্ক শেক খেলে আপনার শরীরে পুষ্টি ও শক্তির চাহিদা পূরণ হবে। এক্ষেত্রে আপনি যেকোনো সময়ে মিল্ক শেক খেতে পারেন। আবার খালি পেটেও মিল্ক শেক খাওয়া যায়। তবে পেট ভরা থাকা অবস্থায় মিল্ক শেক খাওয়াই বেশি উপকারী।  

তবে রাতের বেলা খাওয়ার পর মিল্ক শেক খেলে অনেকেই মনে করেন যে সমস্যা হতে পারে সে ক্ষেত্রেও কোন সমস্যা নেই। তবে সারাদিনের পুষ্টি উপাদানের যোগান এর জন্য সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খাওয়াই সব থেকে উপকারি।

  • মিল্ক শেক বানানোর সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যকর উপকারী উপাদান গুলো ব্যবহার করুন। বিভিন্ন ধরনের ফল, দুধ, প্রোটিন বা শাকসবজি দিয়েও মিল্ক শেক বানানো যায়।
  • বানানোর সময় অবশ্যই চিনির পরিমাণ এর বিষয়ে খেয়াল রাখবেন। চিনির পরিমাণ কমিয়ে খেলে আপনি বিভিন্ন ধরনের রোগ বালাই থেকে রক্ষা পাবেন।  
  • ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে দুই দিন খান।
  • প্রতিদিন সকালে খাওয়া সবচেয়ে ভালো অভ্যাস। অনেক পুষ্টিগণ সম্পন্ন হওয়ার কারণে সারাদিনের পুষ্টি চাহিদা মেটাবে। তাছাড়া সকাল বেলা আমরা অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলি যা আমাদের শরীরের জন্য মোটেও উপকারী না। 
  • যারা নিয়মিত জিম করেন তাদের জন্য মিল্ক শেক খাওয়া খুবই উপকারী। এটি আপনার শরীরের প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট এর চাহিদা পূরণ করবে।
  • আপনি ওজন বাড়ানোর জন্য মিল্ক শেক খেতে পারেন। তবে অবশ্যই এ ক্ষেত্রেও আপনার দুধ এবং চিনির পরিমাণ এর বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়ম

ওজন বাড়ানোর জন্য মিল্ক শেক বিভিন্ন পদ্ধতিতেই বানানো সম্ভব। খুব সহজ একটি উপায় হচ্ছে এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চামচ মিল্কশেক পাউডার মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যায়। পৃথিবীতে মানুষ ছাড়াও সব ধরনের স্তন্যপায়ী প্রাণীরা দুধ পান করতে খুবই পছন্দ করে। মানুষ জন্ম থেকে বড় ও বৃদ্ধ হওয়া পর্যন্ত দুধের তৈরি খাবার বা সরাসরি দুধ খেয়ে থাকেন। 

আরও পড়ুনঃ ১৫ দিনে চিকন হওয়ার ২০টি সহজ ও স্বাস্থ্যকর উপায় 

আর দুধ পান করার উপযুক্ত কারণ রয়েছে তা হচ্ছে অনেক ধরনের পুষ্টি পাওয়া যায়। আর এই মিল্ক শেক যেহেতু ঘরে বসেই খুব সহজে দুধ দিয়ে বানানো সম্ভব তাই এর সহজলভ্যতা বেশি। আবার বিভিন্ন রকম ফল দিয়েও মিল শেক বানানো যায়। যা আরও বেশি উপাদেয় হয়ে থাকে। 

স্ট্রবেরি দিয়ে মিল্ক শেক

বাংলাদেশে বর্তমানে স্ট্রবেরি খুব বেশি পাওয়া যায়। অনেক জায়গায় চাষ করা হয়। বাংলাদেশের স্ট্রবেরি গুলো অনেক টক জাতীয় একটি ফল। এবং বেশ সহজলভ্য। তবে পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। আর স্ট্রবেরি দিয়ে যেকোনো ধরনের মিল্ক শেক খুবই উপাদেয়। তাই এই স্ট্রবেরি মিল্ক শেক বানানোর উপায় নিচে দেওয়া হল।

প্রথমেই তিন কাপ দুধ নিন এবং সাথে আপনার পছন্দমত এক কাপ আইসক্রিম যুক্ত করুন। দুই কাপ পরিমাণ স্ট্রবেরি কেটে রাখবেন এবং প্রয়োজনে.১ চা চামচ স্ট্রবেরি ফ্লেভার যুক্ত করতে পারেন। সবগুলো উপাদান একসাথে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এভাবেই খুব সহজে আপনি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন স্ট্রবেরি দিয়ে তৈরি মিল্কশেক পাবেন। 

আর এই মিল্ক শেকটি প্রতিদিন সকালে আপনি খালি পেটে খুব সহজেই খেতে পারবেন। এটি আপনার পেটের জন্য অনেক উপকারী।

চকলেট দিয়ে তৈরি মিল্ক শেক

চকলেট দিয়ে যদি প্রতিদিন মিল্ক শেক বানানো যায় তবে সেটা বাচ্চাদের জন্য বেশি লোভনীয়। যেসব বাচ্চারা নিয়মিত খাবার দাবারের অনিহায় ভোগে তাদের জন্য এই মিল্ক শেক দিয়ে শক্তি ও পুষ্টির চাহিদা পূুরণ করে দেওয়া সম্ভব। এরা সহজেই এই মিল্ক শেকটি মজা করে খেয়ে ফেলবে। মিল্কশক্তি তৈরি করার জন্য প্রথমেই ৩ চা চামচ লিকুইড চকলেট নিন এবং এসেন্স ব্যবহার করুন। 

একটি ফল যেমন কলা নিতে পারেন। এবং দুই কাপ পরিমাণ দুধ যুক্ত করুন। আইসক্রিম ব্যবহার করতে পারেন এক্ষেত্রে মিল্ক শেকটি বেশি মজাদার হবে। এরপর সব ধরনের উপাদান একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ড করলেই আপনার মজাদার মিল্কশেকটি তৈরি হয়ে যাবে। আর এই মেয়ের সেফটি বাচ্চারা যেমন পছন্দ করে বড়রাও তেমনি ভালবাসে। 

খেজুর দিয়ে মিল্কশেক

বর্তমানে খেজুর দিয়ে বানানো মিল্কশেক ও অনেক জনপ্রিয়। খেজুর প্রায় সবার ঘরেই থাকে। বিশেষ করে রোজার সময় খেজুর এর ব্যবহার বেড়ে যায়। তাই এ সময় যদি আপনি খেজুর দিয়ে মিল্ক তৈরি করে দিতে পারেন তবে ইফতারিতে এই মিল্কশেকের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। খেজুর কেটে খেজুরের বিচি গুলো ফেলে দিয়ে হাফ কাপ পরিমাণ নিন। 

এবং এক কাপ পরিমাণ আইসক্রিম ও দুই কাপ পরিমাণ দুধ নিন। এবং সবগুলো একটি মিক্সচারে মিক্স করে পরিবেশন করুন। এখানে চিনি না নিলেও চলে কারণ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি থাকে।

উপরে উল্লেখ করা যেই ধরনের মিল্ক শেক গুলার কথা বলা হয়েছে তা বানানো খুবই সহজ। প্রত্যেকটি বানানো সহজ তাই আপনি ঘরে বসেই খুব সহজে এগুলো বানিয়ে ফেলতে পারবেন। এছাড়াও আরো অনেক ধরনের উপাদান দিয়েই মিল্ক শেক বানানো সম্ভব। যা আপনারা পরবর্তীতে তৈরি করে দেখতে পারেন।  

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রি বিষয়ে কিছু প্রশ্ন

প্রশ্নঃ মিল্ক শেক কি দাঁতের জন্য খারাপ?

উত্তরঃ মিল্কশেক ফলের রসের মতো এতটা অ্যাসিডিক না। কিন্তু এখানে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আস্তে আস্তে পান করলে দাঁতের উপর প্রভাব পড়ে। তাই খুব তাড়াতাড়ি মিল্ক শেক খেয়ে ফেলুন যেন দাঁতের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ মিল্ক শেক না থাকে।

প্রশ্নঃ ওয়েট বাড়ানোর জন্য মিল্ক শেক কখন খাওয়া জরুরী?

উত্তরঃ যদি আপনি ওয়েট বাড়ানোর জন্য মিল্ক শেক খেতে চান তবে অবশ্যই শরীরচর্চার পরে মিল্ক শেক খাবেন। তাছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটেও খেতে পারে। এমনকি রাতের বেলা ঘুমানোর আগে খেলে উপকার পাবেন।

প্রশ্নঃ মিল্ক শেকের কি উপকারিতা রয়েছে?

উত্তরঃ যাদের শরীরের ওজন অনেকটাই কম এবং ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন তাদের জন্য মিল্ক শেক খাওয়া খুবই উপকারী। কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং প্রোটিন ছাড়াও ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেট বা ক্যালসিয়াম রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রশ্নঃ চকলেট শেক খাওয়া কি ভালো?

উত্তরঃ চকলেট মিল্ক শেকে অনেক ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান থাকে। যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী নয়।

মিল্ক শেক পাউডার খাওয়ার নিয়ম

ওয়েট গেইনের জন্য মিল্ক শেক অনেকেই নিয়মিত খেয়ে থাকেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন নতুন নতুন ফল ফ্রুটস দিয়ে আরো কিছু উপাদান দিয়ে এই মিল্ক শেক বানানো খুবই পীড়া দায়ক হয়ে যায়। তাই জন্য বাজারে এক ধরনের মিল্ক শেক এর পাউডার কিনতে পাওয়া যায়। এই পাউডার গুলো যদি আপনি প্রতিদিন দুধের সাথে মিশিয়ে খেয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আপনি উপকার পাবেন।  

বিভিন্ন রকম মিল্ক শেক পাউডার বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তবে তবে সবগুলোরই উপকার একই।
আবার এই মিল্ক শেক পাউডার যদি আপনারা  সারা রাত রেখে পরে খেতে পারেন তাতেও কিন্তু ভালো উপকার পেয়ে যাবেন। প্রতিদিন সকালে এই পানিতে ভিজিয়ে রাখা মিল্ক শেক পাউডার যদি আপনি খালি পেটে খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরে দুর্বলতা চলে যাবে। 

মিল্ক শেক খেলে প্রয়োজনীয় উপকারিতা

মিল্ক শেক বিষয়ক অনেক রকম তথ্য-উপাত্ত এবং নিয়ম কানুন আমরা এতক্ষণ জানলাম। এখন আপনি ওজন কম বা ওজন বাড়াতে চান না কেন মিল্ক শেকের উপকারিতা যেভাবে চাবেন সেভাবেই পাবেন। এজন্য আমরা এখন মিল্ক শেক খেলে কি ধরনের উপকারিতা পাবো সে বিষয়ে আলোচনা করছি।

  • মিল্ক শেকে প্রধানত প্রোটিনের পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে এবং আপনার প্রোটিন এর চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
  • মিল্ক শেকে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি মেটাতে মিল্ক শেক খুবই উপকারী।
  • বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সহ পুষ্টি উপাদান থাকার কারণে মিল্কশেক আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
  • নিয়মিত সঠিক উপায়ে মিল্ক শেক খেলে হার্ট ভালো থাকবে।
  • মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য শর্করা খুবই কার্যকর। মিল্ক শেখ থেকে আশা মিষ্টি জাতীয় উপাদান মস্তিষ্কের উন্নতিতে সাহায্য করে।
  • মিল্কশেক এ যেহেতু প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন রয়েছে তাই যারা জিম করেন তাদের জন্য এই মিল্ক শেক খাওয়া উপযুক্ত।
  • এছাড়াও মিল্ক শেকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি। যা ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে খুবই উপকারী।
  • যেহেতু মিল্ক শেক প্রধানত দুধ দিয়ে তৈরি তাই এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা আপনার হাড় এবং দাঁত কে মজবুত করে।
  • উঠতি বয়সের ছেলে মেয়ে মিল্ক শেক খেলে তাদের জন্য শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে।

ওজন বাড়াতে মিল্ক শেকের উপকারিতা

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে যারা জানতে চান তারা অনেকেই কম ওজনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। আপনারা বেশিরভাগই জানেন যে ওজন বেশি হলে কমানো অনেক কঠিন কিন্তু ওজন কম হলেও বাড়ানো যে কঠিন বা কষ্টসাধ্য এ বিষয়ে অনেকেরই ধারণা নেই। তাই ওজন বাড়ানোর জন্য অনেক রুটিন মাফিক খাওয়া-দাওয়া করা জরুরি।

ওজন বাড়াতে মিল্ক শেকের উপকারিতা

এক্ষেত্রেও ওয়েটগেইন এর জন্য যদি আপনি মিল্ক শেক নিয়মিত খেয়ে থাকেন তাহলে আপনি উপকার পেয়ে যাবেন। ওয়েটগেইন এর ক্ষেত্রে মিল্কশেক ওজন বাড়াতে অনেক কম সময় নেয়। তাই আমরা ওজন বাড়ানোর জন্য মিল্কশেক কিভাবে উপকার করে সে বিষয়ে আলোচনা করব। 

পেশি শক্তি বাড়াতে মিল্ক শেকঃ

আমাদের সকলেরই প্রোটিনের চাহিদা শরীরের জন্য মেটানো খুবই জরুরী। অনেকেই কমবেশি খেয়ে সারাদিনে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করেন। তবে যাদের ওজন কম তারা যদি ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য সারা দিনের টুকটাক প্রোটিনের চাহিদা মেটালেও প্রোটিনের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ হয় না।

এক্ষেত্রে ওয়েটগেইন এর জন্য মিল্ক শেক যদি আপনি নিয়মিত খান তবে আপনার পেশি গঠনে খুবই সাহায্য করবে। কারণ পেশি গঠনের জন্য মিল্ক শেক অ্যামিনো এসিড বহন করে। যা পরবর্তীতে আপনার ওজন বাড়াতে খুবই সাহায্য করবে।

মিল্ক শেক খাওয়ার অপকারিতা

ওজন বাড়ানোর জন্য মিল্ক শেক উপকারী হলেও এর অনেক অপকারিতা দেখতে পাওয়া যায়। আমরা ইতোপূর্বে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করেছি। তবে এর অপকারিতা ও রয়েছে। নিচে সে বিষয়ে জানানো হলো।

  • যাদের অ্যালার্জি সমস্যা রয়েছে তাদের মিল্ক শেক খেলে এলার্জির সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। তবে এটা সবার ক্ষেত্রে হয় না। তবে যদি আপনার মিল্ক শেকে অ্যালার্জি থাকে তবে সেটা আপনার জন্য না খাওয়াই ভালো।
  • অনেকেই আছেন মিল্ক শেক খেতে পছন্দ করেন কিন্তু তারা ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন না। তাদের অবশ্যই সাবধানতার সাথে মিল্ক শেক খাওয়া জরুরী।
  • আবার অনেকের মিল্ক শেক খেলে হজমের সমস্যা হয়। আর যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তাদের না খাওয়াই ভালো।
  • মিল্ক শেকে অনেক চিনি জাতীয় উপাদান এবং চিনি দেয়া থাকে। তাই যারা ডাইবেটিস রোগী তারা একেবারেই মিল্ক শেক খেতে পারবেন না।
  • আবার মিল্ক শেকে অনেক ফ্যাট যুক্ত স্যাচুরেশন রয়েছে যা অধিক পরিমাণে খেলে শরীরে ফ্যাট জমে যায়।
  • অধিক পরিমাণে এই শেক খেলে শরীরের কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যাবে তবে পরিমাণ মতো খেলে এই সমস্যা দেখা দিবে না। 

২০২৪ সালে মিল্ক শেক এর দাম

মিল্ক শেক সম্পর্কে আমরা অনেকে জানতে আগ্রহী থাকি। অনেক মানুষই ওজন বাড়ানোর জন্য বা পুষ্টি উপাদান নেওয়ার জন্য মিল্কশেক নিয়মিত খেয়ে থাকেন। তাই বাজারে মিল্কশেক পাউডার বা মিল্ক শেক এর উপাদানের চাহিদা ব্যাপক। তাই দাম সম্পর্কেও অনেকে আগ্রহী থাকে। বাংলাদেশে বেশ কয়েক ধরনের মিল্ক শেক পাওয়া যায়। 

  • মিল্কি ওয়ে চকলেট মিল্ক শেক, চকলেট ফ্লেভারের এই মিল্ক শেক ৩৫০ মিলিগ্রাম মাত্র ৮০০ টাকায় পাওয়া যায়।
  • স্যাভয়ে মিল্ক শেক প্রিমিক্স ভ্যানিল, মিল্ক শেক এর ভ্যানিলা ফ্লেভারটি ১০০ গ্রাম ১৮০ টাকাতেই বাজারে পাওয়া যায়।
  • মাল্টিস আর চকলেট মিল্ক শেক, এই চকলেট মিল্ক শেক ৩৫০ মিলিগ্রাম এবং এর দাম ৭০০ টাকা।

মোটামুটি আমরা তিন ধরনের মিল্ক শেক এর দাম সম্পর্কে আপনাদের জানালাম। এরকম আরো অনেক ধরনের মিল্ক শেকই বাজারে পাবেন। যা আপনাদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধানে খুবই উপকারে আসবে।

মিল্ক শেক খেলে ওজন বৃদ্ধি বিষয়ে আরও কিছু প্রশ্ন

প্রশ্নঃ মিল্ক শেক কি বাচ্চাদের জন্য ক্ষতিকর?

উত্তরঃ প্রচুর পরিমাণে চিনি দেওয়া থাকার কারণে মিল্ক শেক সোডার মতই ক্ষতিকারক। তবে যদি আপনি বাসায় বানিয়ে বাচ্চাদেরকে দিতে পারে তবে সেটা বেশি উপকারী হবে।

প্রশ্নঃ মিল্ক শেক কি সমৃদ্ধ?

উত্তরঃ মিল্ক শেকে সব ধরনের পুষ্টি উপাদানই আপনি পাবেন। যেহেতু এটা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে হয় তাই দুধের রয়েছে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান এবং এর সাথে মিল্ক শেক মিশে হাই প্রোটিন জাতীয় খাবারে পরিণত হয়।

প্রশ্নঃ মিল্কশেক খেলে কি কোন সমস্যা হয়?

উত্তরঃ প্রচুর প্রোটিন এবং চর্বি জাতীয় উপাদান সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে এর বেশ কয়েক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস, হৃদ রোগ অথবা এলার্জি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে নিয়ম অনুযায়ী হিসাব করে খেলে এই সমস্যাগুলো হবে না।

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিষয়ে লেখক এর মন্তব্য

মিল্ক শেক খেলে কি ওজন বাড়ে ও মিল্ক শেক এ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আজ আমরা বিস্তারিত জানতে পারলাম। মিল্ক শেক অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও সহজে বানিয়ে খেয়ে ফেলা যায় বলে অনেকেই এই খাবারটি বানানোর নিয়ম সম্পর্কেও যাতে আগ্রহী। তাই এ ব্যাপারে আমরা বিস্তারিত আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি।

এছাড়া এত প্রোটিন এবং শর্করা জাতীয় একটি খাদ্য কতটুকু পরিমাপ খাওয়া জরুরী সে ব্যাপারও আমাদের মাথায় রাখা উচিত। তা না হলেও অতিরিক্ত মিল্ক শেক খাওয়ার জন্য আমরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারি। ওজন কমাতে মিল্ক শেক খাওয়া কি জরুরী কিনা এ বিষয়ে আপনারা সহজেই বুঝতে পারবেন এর পুষ্টিগুণ ও ক্যালরি হিসাব করে। 2024112

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url