চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার - নিম পাতার ঔষধি গুণাবলি

চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার বিষয়ে জানতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। আজকে আমরা নিম পাতার ঔষধি গুণাবলী ও নিম পাতার ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করব।

চুলকানিতে-নিম-পাতার-ব্যবহার

চুলকানি বা চর্মরোগ ছাড়াও নিম পাতা এবং পাউডার আরো কি কি ধরনের উপকারে আসতে পারে আমরা আজ এই আর্টিকেলে এ বিষয়েই জানতে পারব। নিম পাতার উপকারিতা বা ব্যবহার সম্পর্কে বলে শেষ করা যাবে না। তাই চলুন নিমপাতা বিষয়ে আমরা যতোটুকু সম্ভব বিস্তারিত জেনে আসি।

পেজ সূচিপত্রঃ চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার

চুলকানি জাতীয় সমস্যায় নিমপাতার ব্যবহার

চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার বিষয়ে আমরা অনেকেই অবগত। চুলকানির জন্য অনেকেই চিকিৎসার জন্য আগ্রহী হন। অনেকে ডাক্তারের কাছেও যান। আবার অনেকে ভেষজ চিকিৎসা করে থাকেন। ভেষজ চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিম পাতা খুবই কার্যকরী। নিম পাতার ঔষধি গুণাবলি এর ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

চোখের চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার

চোখের চুনকানিতে যদি পাতার পানি দশমিক চিন্তা করে ওই পানি নরমাল করে পানিটার ঝাপটা যদি চোখে নেওয়া যায় তাহলে চুলকানি সেরে যাবে।

শরীরের রেশ হলে নিম পাতার ব্যবহার

শরীরের রেশ হলে প্রচুর জ্বালাপোড়া হয়। এ সময় যদি পুরো শরীরে নিম পাতাবাটা মেখে রাখা যায় তাহলে অবশ্যই কার্যকরী ফল পাওয়া যাবে।

চুলকানি ভালো হওয়ার উপায়

অনেক গুলো নিম পাতা ১ মুঠো নিয়ে সিদ্ধ করলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর নামিয়ে ফেলার পরে ওই পানি দিয়ে গোসল করতে হবে। এভাবে এক থেকে দুই সপ্তাহ ব্যবহার করলে সব ধরনের চুলকানি সেরে যাবে।

খোস পচরা ও ঘা সারাতে নিম পাতার ব্যবহার 

নিম পাতা ও হলুদ বেটে চুলকানির জায়গায় লাগিয়ে পরে ধুয়ে ফেললে চুলকানি সেরে যায়।

নিমপাতার ডাল জানালায় ঝুলায় রাখার উপকারিতা

পক্স হলে রোগীকে নিম পাতার বাটাশরীরে মেখে দিলে এরপর যদি গরম পানিতে শরীর ধুয়ে দেওয়া যায় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রোগ সেরে যায়। আবার সেই রোগীর ঘরের জানালায় নিম পাতার ডাল ঝুলিয়ে রাখলে বিষাক্ত বাতাস ঘরে আসে না।

দাঁদ জাতীয় রোগে নিম পাতার ব্যবহার

দাঁদ হলে নিম পাতার পানি সিদ্ধ করে পরবর্তীতে আক্রান্ত জায়গায় পানি ব্যবহার করলে কিছুদিন পর রোগ সেরে যাবে।

নিম পাতার ঔষধি গুণাবলি জানলে অবাক হবেন 

নিম পাতার ঔষধি গুণাবলি সব অংশেই রয়েছে, ২১ শতকের বৃক্ষ ঔষধি নিম গাছ। নিম এর ব্যবহারের সাহায্য অনেক রকম রোগ বালাই থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। নিম পাতা দিয়ে শুধু ওষুধের চিকিৎসা না প্রসাধনী থেকে শুরু করে কাঠ ও ব্যবহার করা সম্ভব। এজন্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিম গাছকে ২১ শতকের বৃক্ষ বলে ঘোষণা করেছে।

নিমের বিভিন্ন ধরনের উপকার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এটা মানুষের জন্যই শুধু ঔষধি গাছ নয় প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য ও এটি কার্যকরী। পরিবেশ রক্ষা, কর্মসংস্থান, দারিদ্রতা নিরসন, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ,  সার, কীটনাশক তৈরিতে নিমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

রাসায়নিক গুন

নিম গাছের ফল, বীজ, পাতা, ছাল বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন রকম উপাদান পাওয়া যায়। যেমন,
  • অ্যালকালয়েড
  • নিম্বন
  • মিলিয়া নন
  • কুয়ার সেটিং
  • ট্যানিং
  • এস মডারিন
পাতা সংগ্রহ করে শুকিয়ে সংগ্রহ করা যায়। যখন বীজ হয়, ধুয়ে রোদে শুকিয়ে সংগ্রহ করা সম্ভব।

চুল পড়া রক্ষার্থে নিম পাতার উপকারিতা

চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহারের জন্য নিম পাতার বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুণাবলি রয়েছে। নিচে চুলের উপকার সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো।

চুলে-নিম-পাতার-ব্যবহার

চুলের গোরা মজবুত এর জন্য নিম পাতা

স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য চুল সুন্দর হওয়া জরুরী। সুন্দর চুল পেতে বিভিন্ন ভেষজ গুণসম্পন্ন পাতা ব্যবহার হয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নিম পাতা। প্রতি সপ্তাহে নিম পাতা ভালো করে বেটে একবার যদি ব্যবহার করা যায় তাহলে চুল মজবুত হবে। চুল পড়া কমে যাবে। চুল নরম এবং কোমল থাকবে। 
মধু এবং নিমের রস একসাথে মিশিয়ে সপ্তাহে তিন দিন যদি লাগানো যায়। তবে ঝলমলে চুল পাওয়া যাবে। আমলকির রস নিন পাতার রস টক দই ও লেবুর রস ১ চামচ করে মিশিয়ে চুলে লাগালে, চুল ভালো থাকবে।

উকুন থেকে বাঁচতে নিম পাতা

উকুনের সমস্যা সমাধানের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অতুলনীয়। নিমেরপাতা বেটে মাথার তালুতে ব্যবহার করে পরবর্তীতে ধুয়ে ফেললে উকুন দুর্বল হয়ে পড়ে। পরে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ালে উকুন মারা সহজ হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এভাবে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

খুশকির সমাধান

খুশকির জন্য নিমের ব্যবহার খুবই কার্যকরী। নিমের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকনাশক উপাদান রয়েছে। তাই জন্য নিম এর ব্যবহার খুবই কার্যকর। এটি মাথার তালুকে পরিষ্কার এবং চুলকানি মুক্ত রাখে। 

চার কাপ পানিতে একমুঠো নিমপাতা নিয়ে গরম করলে ওই পানি পরবর্তীতে শ্যাম্পু করার পর চুলে ব্যবহার করলে চুল ভালো থাকবে খুশকি মুক্ত হবে। 

নিম পাতার আরো কিছু ঔষধি গুন

চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার ছাড়াও আরো কিছু কার্যকরী ব্যবহার রয়েছে। নিচে এসব বিষয়ে আলোচনা করা হলো।
  • রোগ প্রতিরোধেরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিম গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসিম। নিমে প্রচুর এন্টি অক্সিজেন থাকে। প্রতিদিন নিম পাতা গুড়া করে পানির সাথে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • নিমের ফুল ওজন কমাতে সক্ষম। এটি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি গলাতে এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এক মুঠো নিমের ফুলের গুড়ার সাথে ১চা চামচ মধু ও হাফ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে ওজন কমে।
  • প্রাচীনকালে কোন ধরনের ভাইরাসের প্রতিষেধকের জন্য নিমের পাতা ব্যবহার করা হতো। আধুনিক যুগে চিকেন পক্স বা অন্যান্য চর্ম  রোগের জন্য একটি সমাধান এটি।
  • নিম পাতার পানি সেদ্ধ করে স্প্রে বোতলে রাখলে প্রতিদিন ঘরে স্প্রে করলে মশা কমে যাবে।
  • পোকামাকড়ের কামড় এর জালা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আম গাছের পাতা বা ছাল বেটে লাগালে ব্যথা কমে যায়।
  • ডায়াবেটিস কমাতে নিম খুবই ভালোভাবে কাজ করে। এটি শরীরের শর্করার মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে দশটি নিম পাতা ও পাঁচটি গোলমরিচ বেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • দাঁতের সমস্যার সমাধানের জন্য নিম পাতার গোড়া অথবা ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত মজবুত হয়।
  • নিমপাতা, বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে উপকারী ভেষজ হিসেবে কাজ করে। নিমের বিভিন্ন অংশ  বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

নিম পাতার গুড়ার ব্যবহার

  • ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
  • রক্ত পরিষ্কার এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।
  • অ্যালার্জি, একজিমা ও চর্মরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • জন্ডিস ও ভাইরাল রোগ নিরাম্র করে।
  • ত্বকের ব্রণ,ইরিটেশন ও ক্ষত দূর করে। 
  • চুলের উকুন, সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও  খুশকি দূর করে।

ব্যবহার বিধি

১ চা চামচ মধু, আধা চা চামচ নিমপাতা গুঁড়া ও ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিলিয়ে খাবারের পর, সকাল ও রাতের  খেতে হবে।

কৃমিনাশকে নিম পাতার ব্যবহার

নিমপাতা একটি ঔষধি গাছ। নিম পাতার ঔষধি গুণাবলি অপরিসীম। বিভিন্ন রকম রোগের জন্য  নিমপাতা ব্যবহার করে উপকার পাওয়া যায়। কৃমির সমস্যাতেও নিম পাতা খুবই উপকারী। 

পেটে কৃমি হলে বিশেষ করে শিশুদের খুবই সমস্যা হয়। শিশুরা রোগা হয়ে যায় শিশুদের পেট বড় হয়ে যায়। চেহারা রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। তাই বাচ্চাদের জন্য কৃমি উপশমের জন্য নিম পাতা ব্যবহার খুবই কার্যকরী।

নিমপাতার তেলের ঔষধি গুন

চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার ছাড়াও চুলের উপকারের জন্য অনেক ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এগুলো অনেক ব্যয় বহুল। কিন্তু বাড়ির পাশেই নিম গাছের তেল থেকে বিভিন্ন উপকার পাওয়া যায় যা সাশ্রয়ীও হয়ে থাকে। নিমের তেলে আন্টি ফাংগাস ও ব্যাকটেরিয়া থাকে। 

নিমপাতার-তেলের-ঔষধি-গুন

নিম গাছের ফল থেকেই হয় তেল। নিম তেলে আজাদিরচটিন এবং ট্রাইটারপেনয়েড নামক দুই্টি উপাদান থাকে। নিমের তেলে র‍য়েছে,
  • অ্যান্টিসেপটিক
  • অ্যান্টিফাঙ্গাল
  • অ্যান্টিহিস্টামাইন
  • অ্যান্টিপাইরেটিক
  • বিটা-সিটোস্টেরল
  • ক্যাম্পেস্টেরল
  • স্টিগমাস্টেরলের
নিমের তেল যে সকল সুবিধা প্রদান করে তা হল,
  • নিম তেলে একাধিক ফ্যাটি অ্যাসিড আছে যা রুক্ষ চুলের হাল ফেরাতে পারে। চুলের ত্বকে পুষ্টি  দেয়। শুষ্ক হয়ে যাওয়া চুলের উন্নতি খুব তারাতারি করে।
  • এছাড়াও নিম তেল মাথায় মাসাজ করলে মাথাই রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। তাই তাড়াতাড়ি চু্ল বাড়বে। অনেকের চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে নানা কারণে চুল পড়ে যাচ্ছে। নিম তেল ব্যবহার করলে তাঁরা উপকার পাবেন।
  • কোনও ক্যারিয়ার তেলের সাথে নিমের তেল মিশিয়ে মাথায় মাসাজ করলে উপকার পাওয়া যাবে  কয়েকদিনেই। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই তেল লাগাতে হবে।   

রূপচর্চায় নিম পাতার ব্যবহার

রূপচর্চার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান নিম। চুলের জন্য যেমন এটি খুবই দরকারী তেমনি ত্বকের জন্য খুবই কার্যকর। বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান থাকে নিমে। ত্বকের যত ইনফেকশন হয় তা দুর করে নিম। 
  • নিম গাছের পাতা যদি সিদ্ধ করে গোসলে ব্যবহার করা হয় তাহলে ত্বকের ইনফেকশন দূর হবে।
  • ত্বকের অতিরিক্ত ময়লা, ব্যাকটেরিয়া ব্রনের সৃষ্টি করে। নিম পাতা সেদ্ধ করে সেই পানি তুলায় নিয়ে মুখে ব্যবহার করতে হবে।তো ভাব দূর করতে পাতার সাথে টক দইএর প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • নিম পাতা মুখের দাগ ও বলে রেখা দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের কাছে ম দূর করতে আম পাতার সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিম পাতার পানি সিদ্ধ করে ঝরিয়ে, পানি ঠান্ডা করে প্রতি রাতে ব্যবহার করলে মুখের ত্বকের উজ্জ্বলতা বারবে।
  • নিম পাতা মুখের বড়লোমকুপ, হোয়াইটহেড ও ব্লাকহেড কমাতে সাহায্য করে। এর সমাধানের জন্য নিমপাতা এবং কমলালেবুর খোসা গুড়া একসাথে টক দই মধু বা দুধের সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে অন্তত তিনবার মাখতে হবে।
  • এলার্জির কারনে অনেকেই খাদ্যতালিকায় সব ধরনের খাবার রাখতে পারেন না। ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয় এলার্জির কারণে। হাঁপানি, চর্মরোগ ও নাক দিয়ে পানি ঝরা্র সমস্যা ও এলার্জির কারণে হয়ে থাকে। তাই এলার্জি থেকে বাঁচতে অনেকে ওষুধ খান। তবে ওষুধ ছাড়া এলার্জি দূর করা যায় নিম পাতার ব্যবহারে।  
মিশ্রণ তৈরির পদ্ধতিঃ এক কেজি নিম পাতা রোদে শুকিয়ে সেই পাতা পাটায় পিশে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
 
ব্যবহারঃ নিম পাতার গুড়া এক ভাগের তিন ভাগ এবং এক চা চামচ ভুষি নিয়ে আধ ঘন্টা ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে দুপুরে এবং ভরা পেটে খেয়ে ফেলতে হবে। এক মাস ধরে গেলে এলার্জির সমস্যা অনেকাংশেই কমে যাবে।

নিম গাছের কাঠের ব্যবহার

নিম কাঠ ব্যবহার করে অনেক জিনিসপত্র তৈরি করা যায়। নিম কাঠ উইপোকা প্রতিরোধ হওয়ায় ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক থাকায় পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। রান্নাঘরের আসবাবপত্র তৈরি করার জন্য নিমের কাঠ খুব ব্যবহৃত হয়। 

নিম কাঠ অনেক শক্তিশালী হওয়ায় এই কাঠ দিয়ে খাট থেকে শুরু করে সব কিছুই বানানো যায়। নিম কাঠ ভালো জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।

নিমের কাঠ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ
  • আজাদিরচটা ইন্ডিকা এ. জুস
  • মেলিয়া আজাদিরচটা 

নিম পাতা ব্যবহারে খারাপ দিক

নিমের যেমন উপকারী দিক রয়েছে তেমনি অপকারিতা রয়েছে। নিচে নিবেন অপকারী বা ক্ষতিকারক দিক গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো।
  • খালি পেটে নিম পাতা খাওয়া উচিত না। পেটের বিভিন্ন রোগ হতে পারে। একনাগার দীর্ঘদিন নিম পাতার রস না খেয়ে গ্যাপ দিয়ে খাওয়া উচিত।
  • কারো যদি নিমপাতা খেয়ে কাকা বমি হয় তাহলে তার খাওয়া বন্ধ করে দেয়া উচিত। 
  • নিম অনেক সময় বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এক্ষেত্রে না খাওয়াই যুক্তি যুক্ত। 
  • যেকোনো ধরনের অপারেশনের ২ সপ্তাহ আগে এবং অপারেশনের দুই সপ্তাহ পর পর্যন্ত নিম পাতা খাওয়া উচিত না। 
  • গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিম পাতার রস বা নিমের কোন খাবার খাওয়া যাবেনা। 
  • নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা যাদের আছে তারা রস খেতে পারবে না।

নিম পাতার ব্যবহার সম্পর্কে লেখকের শেষ কথা

নিম পাতা সম্পর্কে আমরা যতগুলো বিষয়ে জানলাম তাতে মনে হয় আপনারা নিম পাতার ব্যবহার সম্পর্কে খুবই ভালো করে জানতে পেরেছেন। চুলকানিতে নিম পাতার ব্যবহার সম্পর্কে জেনে অবশ্যই আপনারা উপকৃত হয়েছেন। আশা করি পরবর্তীতে এ ধরনের কোন সমস্যা হলে সমাধান খুব সহজেই করতে পারবেন।

তাই আশা করি নিম পাতার ঔষধি গুন গুলো সম্পর্কে জেনে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলা অন্যদের সাথেও শেয়ার করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে একে অপরকে  সাহায্য করবেন। 2024112

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url